ছাড়াছাড়ি

 চুক্তিপত্র,স্বাক্ষর,স্ট্যাম্প এসব ছাড়াই বিচ্ছেদ হয়েছিলো আমাদের,

আমরা হুট করেই যেনো ভুলে যেতে চাইছিলাম পরিচিত ঘ্রাণ,বৃহস্পতিবারের বিকেলবেলা,মুখস্ত কবিতার লাইন।


অথচ অভিনয়টা দুজনেই কী নিঁখুত ভাবে করতাম,

রাস্তায় খুব অসময়ে দেখা হলে কেউ কাউকে যেনো চিনতেই পারতাম না,চোখেমুখে ব্যস্ততার ছাপ রেখে পাশ কাটিয়ে চলে যেতাম,যেনো আমাদের কখনো দেখাই হয়নি।


সেপ্টেম্বরের অন্ধকার ছুঁয়ে আমরা কথা দিয়েছিলাম,কেউ আর কক্ষনো কারো কাছ থেকে অধিকার দাবী করবোনা,

জানতে চাইবোনা অনুভুতির অনুবাদ,অভিমানের শব্দার্থ,দূরত্বের যতিচিহ্নে প্রশ্নবোধকের বাড়াবাড়ির কারণ;


সত্যিই চাইনি,এতগুলো সেপ্টেম্বর চলে গেলো তবু সত্যিই আমরা কেউ কারো কাছ থেকে জানতে চাইনি কেনো আমাদের বিচ্ছেদ হয়েছিলো;

প্রিয়তম শোক ভেবে দুজন দুজন কে আগলে রাখি প্রিয় জুঁইফুলের মতো,ছোঁয়াচে অসুখ ভেবে সংক্রমনের ভয়ে এড়িয়ে যাই পরস্পরের উঠোন,

চুক্তিপত্র ছাড়াই যে বিচ্ছেদ হয়েছিলো আমাদের।


কবিঃ স্বপ্নীল চক্রবর্তী


আমার লিখাটি পড়ে আপনার কেমন লেগেছে তা আপনি আমাকে জানাতে পারেন। আপনার একটা মতামত আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা প্রধান করে। ধন্যবাদ।

Previous Post Next Post