মেয়েদের জীবনে ডিপ্রেশনের অভাব থাকেনা। আর খুব কম ভাগ্যবতী মেয়ে আছে যাদের ভালোলাগা, খারাপলাগা গুলো নিয়ে অন্যকেউ ভাবে। বাকি অভাগা মেয়েগুলোকে নিজের ভালো -মন্দ সব নিজেকেই সামলাতে হয়। ডিপ্রেশন হয় এদের নিত্য সঙ্গী। ডিপ্রেশনে পড়ে ও একা একা আর ডিপ্রেশন কাটিয়েও ওঠে একা একা।
এই মেয়ে গুলো একটু সেনসিটিভ হয়, একটু জেদী হয়,একটু বোকা হয়,আবার প্রচুর স্ট্রেট ফরোয়ার্ড হয়। প্রচন্ড ধৈর্য শক্তি থাকে এদের।কেননা,দিন শেষে সকল কিছু ক্ষেত্রে নিজেই নিজের পাশে থাকে। এক সময় নিজেকে খুশি রাখতে নিজের জন্য নিজের মত করে বাঁচতে চেস্টা করে।
নিজেকে প্যাম্পার করার অন্যতম মাধ্যম গুলো বেছে নেয়। যেমন, শাড়ি পড়া, চুড়ি জমানো, বেশি বেশি ছবি তোলা, ঘুরতে যাওয়া, ফেসবুক ইন্সটাগ্রামে স্টোরি আপ্লোড।কেউ বুঝুক আর না বুঝুক এরা এসব শো অফ এর জন্য নয়,কাউকে দেখানোর জন্য না, শুধু নিজের খুশির জন্য নিজের চেস্টা।
আবার এসবের জন্য একটা মেয়েকে কথা কম শুনতে হয়না, মেয়ের ঢং দেখ! ঢঙ্গী! আরে এতো ন্যাকা! পুরাই ফা-লতু একটা মেয়ে! ও রে ভাব! এই চেহারায় এত ভাব! এই মেয়ে পর্দা করেনা! ছবি আপ্লোড দেয় তাহলে ফ্যামিলি ভালনা!
আবার অনেক সময় সামনেই অনেকে বলে বসে,কী রে এত ছবি দেস কীলাইগ্যা!কারে দেখাস?
ওহহ্ ছেলে পটানোর ধান্ধা! প্রেম করস বল না তো!কীরে নতুন প্রেম! বয়ফ্রেন্ড কয় নাম্বার চলে! কোন পোস্ট শেয়ার করলে বিরহের হলে তো কথাই না ব্রেকআপ হইছে!
এতে করে ডিপ্রেশন কমাতে যেয়ে আরো বেড়ে যায়।তবুও আবার নিজের খুশিকে প্রাধান্য দিয়ে আবার নতুন সব ভুলে বাঁচতে পারাটাই একটা যু-দ্ধ।
কথায় - তন্দ্রা বাসার.